সদ্য প্রাপ্ত
দে‌শের প্রতি‌টি জেলা উপ‌জেলায় সংবাদকর্মী নি‌য়োগ দেওয়া হ‌বে। আগ্রহিরা যোগা‌যোগ করুনঃ ০১৯২০৫৩৩৩৩৯
চরফ্যাশনে ৫ হাজার বিছিন্ন মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে এনেছে কোষ্টগার্ড

চরফ্যাশনে ৫ হাজার বিছিন্ন মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে এনেছে কোষ্টগার্ড

মোঃ সোহাগ হাওলাদার
দক্ষিন আইচা থানা প্রতিনিধি.ভোলা
ঘুর্নিঝড় আমফানের প্রভাবে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার বিছিন্ন ঢালচরের ৫ হাজার আশ্রয়হীন মানুষকে দক্ষিণ আইচা থানার ৭ টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেযার জন্য ঢালচর থেকে নিয় এসছে কোষ্টগার্ড চরমানিকা বিসিজি। সহকারী কমিশনার ভুমি শাহীন মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, নদী ভা্গংন সহ বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেষা ঢালচরে কোন বেড়ীবাধ না থাকায় ঝুকিপূর্ন বিবেচনা করে মূল ভুখন্ডে ১১টি ট্রলারের সাহায্যে কোষ্টগার্ড, পুলিশ উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে।
এ সময় আশ্রয়কেন্দ্র গুলোতে শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। করোনা প্রভাব থাকায় ৩টি আশ্রয়কেন্দ্রের পরিবর্তে ৭ টি আশ্রয় কেন্দ্র নেয়া হয়েছে।
ঢালচরের চেয়ারম্যান আবদুস ছালাম হাওলাদার জানান, আশ্রয়কেন্দ্রের উদ্যেশে যাওয়া মানুষ তাদের নিজ অথবা চরফ্যাশন বা লালমোহনে আতœীয়ের বাড়ীতে অবস্থান নিতে পারে।
এ সময় চরকচ্ছপিয়ায় অবস্থিত কোষ্টট্রাষ্টের ২টি ভবন আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে নেয়া হয়নি। যার ফলে চরকচ্ছপিয়া, চরফারুকী , চরলক্ষীর প্রায় ১৫ হাজার পরিবার অরক্ষিত রয়েছে। এবিষয়ে কোষ্ট ট্রাষ্টের চরমানিকা ইউনিটের ব্যবস্থাপক জানান, ভবন ২টি ছোট হওয়ার কারনে অফিস হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন জানান, আগাম প্রস্তুতি হিসেবে নগদ অর্থ, শুকনো খাবার, প্রেরণ সহ সকল সাইক্লোন সেল্টার কাম স্কুল, মাদ্রাসা গুলো আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে খোলা রাখা হয়েছে।
দক্ষিণ আইচা থানার ওসি হারুন অর লশীদ জানান, ঢালচরের বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্র গুলোতে আসার জন্য উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় তদন্ত কেন্দ্রের সকল সদস্য কাজ করছে এছাড়া সকল কে সন্ধার আগে নিকটবর্তী আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে।

সংবাদটি প্রচার করুন




© All rights reserved © 2020 Daily Provat Barta
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com