সদ্য প্রাপ্ত
দে‌শের প্রতি‌টি জেলা উপ‌জেলায় সংবাদকর্মী নি‌য়োগ দেওয়া হ‌বে। আগ্রহিরা যোগা‌যোগ করুনঃ ০১৯২০৫৩৩৩৩৯
শিরোনামঃ
সবাইকে ঈদ-উল ফিতর এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি নেতা মশিউর রহমান বিপ্লব নিউ গ্রীন সিটি হসপিটাল এন্ড ডায়গনস্টিকে “ইন্টারন্যাশনাল নার্সেস ডে “ উদযাপন। রায়পুরে সাবেক ছাত্রনেতা মনোয়ার হোসেন মাছুম এর ত্রান বিতরণ, ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত। কুষ্টিয়া মিরপুর থানা পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার খাইরুল আলম ফেনীতে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ পক্ষ থেকে রমজান উপলক্ষে ১০০ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ শ্রীপুরে ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর সরকারের গাড়ি ভাংচুর গাজীপুরে সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ শ্রীবরদী বাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মান্নান সরকার নবীনগরে ১৮০ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন কর্মহীনদের মাঝে ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভায় ভিজিএফএর অর্থ প্রদান
চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারকে ৯ নম্বর মহা বিপদ সংকেত !

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারকে ৯ নম্বর মহা বিপদ সংকেত !

রকিব মাজহার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরে আবারো বিপদ সংকেত বাড়ানো হয়েছে। আগের ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এর আগে সকাল ছয়টার বুলেটিনে আবহাওয়া অধিদপ্তর এ দুই বন্দরে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলে। পরে সকাল ৯টার দিকে বাড়িয়ে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করা হয়। আর ১০টার একটু আগে তা বাড়িয়ে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত করা হয়।
এর আগে মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়।
উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোও এই ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।
বুধবার (২০ মে) সকাল ৬টার বুলেটিনে আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, ঘূর্ণিঝড়টি সকাল ০৬ টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৬৫ কিঃমিঃ দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৪৫ কিঃমিঃ দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৯০ কিঃমিঃ দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪১০ কিঃমিঃ দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরো জানায়, জলোচ্ছ্বাসের সতর্কতায় বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় এবং দ্বিতীয় পক্ষের চাঁদের সময়ের শেষ দিনের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে থেকে ১০ থেকে ১৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

সংবাদটি প্রচার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2020 Daily Provat Barta
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com