সদ্য প্রাপ্ত
দে‌শের প্রতি‌টি জেলা উপ‌জেলায় সংবাদকর্মী নি‌য়োগ দেওয়া হ‌বে। আগ্রহিরা যোগা‌যোগ করুনঃ ০১৯২০৫৩৩৩৩৯
প্রশাসনের সাথে যেনো ইঁদুর-বিড়াল লুকোচুরি খেলা।

প্রশাসনের সাথে যেনো ইঁদুর-বিড়াল লুকোচুরি খেলা।

এস আর রনি,
জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

নোভেল করোনা ভাইরাস যেখানে প্রতিনিয়ত ক্রমশ সংক্রমণ ও মৃত্যু বৃদ্ধি পাচ্ছে। পক্ষান্তরে, সাধারন মানুষের অগোচরে যেনো বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
সতর্কতার কোনো বিন্দু মাত্র ছাপ উপলব্ধি করা ও চোখে পড়ার মতো নয়।

গত ১০শে মে লকডাউন শিথিল করা হলে-অফিস, কারখানা, বাজার সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান খুললে ক্রমশ কোভিড-১৯ সংক্রমণ ও মৃত্যু বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।

বিষয়টি পর্যাআলোচনা করে মাননীয় সরকারের পক্ষ থেকে ৬ষ্ঠ দফায় আবার ও লকডাউন বাড়ানো হয়। জরুরি সেবা ও নিত্যপণ্য তার আওতামুক্ত। এবং অর্থনৈতিক বিবেচনা করে স্বাস্থ্য বিধি নিরপত্তা নিশ্চিত করে কিছু কারখানা খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়।

তাছাড়া ও রাজশাহী বিভাগের মধ্যে জয়পুরহাট জেলা একটি হটস্পট অঞ্চল।
তারপর ও ১০শে মে সামনে ঈদ-উল-ফিতরকে উপলক্ষো করে দোকান-পাট, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য বাজার স্বাস্থ্য বিধি মেনে সামাজিক দুরুত্ব নিশ্চিত করে সরকার কর্তৃক শর্তসমূহ সাপেক্ষে খোলা রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছিলো।

পক্ষান্তরে, বিভিন্ন বাজার পর্যোবেক্ষণে দেখা যায় ৯০% ক্রেতা ও বিক্রেতা সরকারের সর্তসমূহ মেনে চলার বিষয়ে সম্পূর্ণ অবহেলা প্রদর্শন করেছেন।

ফলে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক গত ১৪ই মে জেলাবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মৃত্যু ঝুঁকির বিবেচনা করে সকল ধরনের দোকান-পাট, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা করে।
জরুরী সেবা, ঔষধালয় ও নিত্যপণ্য তার আওতামুক্ত।

কিন্তু এই বিধি নিষেধ গুলোর কোনো কর্ণপাত করছে না ক্রেতা ও বিক্রেতারা।
সামনে ঈদকে ঘিড়ে যেনো সেই চিরচেনা জনবহুল রুপে ফিরেছেন।

জয়পুরহাটের বিপণী বিতান গুলো পর্যোবেক্ষণ করে দেখা যায় যে, মূল দরজার ফটকে ঝুলছে তালা আর অন্য সাইডের দরজা গুলো দিয়ে প্রবেশ করছে। আর প্রত্যেকটা দোকান-পাট গুলো উপচে পড়া ভিড় বিরাজ করছে।

ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে বিন্দু মাত্র সচেতনতা লক্ষ্যনীয় নেই। বিপণী বিতান গুলোতে যে ভিড় দেখা যাচ্ছে মৃত্যু তাদের কাছে তুচ্ছ।
স্বাস্থ্য বিধি ও শারিরীক দুরুত্বের কোনো নিয়ম নীতি নেই।

তাছাড়া ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযান অব্যাহত আছে। বিভিন্ন পতিষ্ঠানকে জরিমানা ও গুনতে হচ্ছে।
তারপরও কোনো কিছুতেই ঠেকানো যাচ্ছে তাদের।
আইন শৃঙ্খলা বাহিনী টহল শেষ করার সাথে যেনো পূর্বের চেনা রুপে ফিরে যাচ্ছে। প্রশাসকের সাথে ক্রেতা ও বিক্রেতার যেনো ইঁদুর-বিড়াল খেলা চলছে।

ফলে এই ভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে। কোভিড-১৯ সংক্রমণ ও মৃত্যু এতটাই নিয়ন্ত্রনের বাহিরে যাবে তা কল্পনা করাই বাহুল্য।

সংবাদটি প্রচার করুন




© All rights reserved © 2020 Daily Provat Barta
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com