সদ্য প্রাপ্ত
দে‌শের প্রতি‌টি জেলা উপ‌জেলায় সংবাদকর্মী নি‌য়োগ দেওয়া হ‌বে। আগ্রহিরা যোগা‌যোগ করুনঃ ০১৯২০৫৩৩৩৩৯
ফলদায় হাটু পানিতে নেমে ধান কেটে দিল ছাত্রলীগ

ফলদায় হাটু পানিতে নেমে ধান কেটে দিল ছাত্রলীগ

ফাইল ছবি

ফলদায় হাটু পানিতে নেমে ধান কেটে দিল ছাত্রলীগ

মোঃ সজিব হোসাইন
টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক মজিবর রহমান (৫২) ক্ষেতের ধান কেটে দিল স্থানীয় ছাত্রলীগ।
০১ জুন (সোমবার) উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃষকের ১ বিঘা জমির ধান কেটে দিল ফলদা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কর্মীরা। গত সপ্তাহের টানা ৪ দিনের আকস্মিক ভারী বৃষ্টিপাতে চরা প্লাবিত হয়। এতে প্রায় ৩০০ বিঘার এই চরার পাকা ধান পানিতে তলিয়ে যায়। বন্যায় ধান কাটা নিয়ে বিপাকে পড়েন শতাধিক জমির মালিক ও কৃষক।
একদিকে করোনা ভাইরাসের কারণে যেখানে ধান কাটার শ্রমিক সংকট অপরদিকে এমন আকস্মিক বন্যা যেন মরার ওপর খারার ঘা। দরিদ্র অসহায় কৃষকরা ধান কাটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে অধিকাংশ জমির ধান। কেউ কেউ কাটতে পারলেও কাটতে পারেনি মজিবর রহমানের মত কিছু দরিদ্র কৃষক। এই দুরবস্থা দেখে এগিয়ে আসে ফলদা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কর্মীরা। তারা হাঁটু পানিতে নেমে ও মাথায় করে ধান বাড়িতে এনে দেয়। এমন মহানুভবতা দেখে আনন্দের হাঁসি ফুটেছে কৃষক মজিবরের মুখে।
এই ধান কাটায় অংশ নেন ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বাযক অলিউর রহমান সিফাত, যুগ্ন আহবায়ক শাকিল মিয়া, রিয়ান চৌধুরী, মেহেদী হাসান শুভ, মাসুদ রানা, টিপু সুলতান সহ দলের সকল সদস্যবৃন্দ। আরো সহযোগিতা করেন ইউনিয়ন যুবলীগের লাবলু খান, ফারুকুজ্জামান তুষার সহ কর্মীরা।
এই কাজকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ফলদা শরিফুননেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক সন্তোষ কুমার দত্ত সহ সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ।
ধান কাটা নিয়ে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বাযক অলিউর রহমান সিফাত বলেন, মাননীয় প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে ও স্থানীয় সাংসদ ছোট মনির নির্দেশে ভূঞাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সমন্বয়ে দেশের এই ক্রান্তিকালে আমরা এগিয়ে এসেছি। বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়া ও লোকজনের কাছে শুনে গতকাল সরেজমিনে পরিদর্শন করে এলাকার আকস্মিক বন্যায় পানিতে তলিয়ে যাওয়া দরিদ্র কৃষকের ধান কাটা কেটে দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করি। সেই উদ্যোগেই আজ আমরা ছাত্রলীগের ৩০জন কর্মীরা এই দরিদ্র কৃষক মজিবর রহমানের তলিয়ে যাওয়া ধান কেটে দিলাম। তবে যতদিন এই বন্যার পানি থাকবে ততদিন আমাদের এই কাজ অব্যাহত থাকবে।
এই ব্যাপারে কৃষক মজিবর রহমান জানিয়েছে, বন্যার পানিতে ধান তলিয়ে গেলে আমি দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। অর্থ দিয়ে ধান কাটার সামর্থ্য আমার ছিল না। তখনই ছাত্রলীগ আমার ক্ষেতের ধান কেটে দিল। আমি খুব খুশি।

সংবাদটি প্রচার করুন




© All rights reserved © 2020 Daily Provat Barta
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com