সদ্য প্রাপ্ত
দে‌শের প্রতি‌টি জেলা উপ‌জেলায় সংবাদকর্মী নি‌য়োগ দেওয়া হ‌বে। আগ্রহিরা যোগা‌যোগ করুনঃ ০১৯২০৫৩৩৩৩৯
পটুয়াখালীতে করোনা সনাক্তকরণ ল্যাপ স্থাপনের দাবি রাঙ্গাবালীবাসীর

পটুয়াখালীতে করোনা সনাক্তকরণ ল্যাপ স্থাপনের দাবি রাঙ্গাবালীবাসীর

 

সূর্য বসাক,
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনা ভাইরাস (কেভিভ-১৯) এর সংক্রমণ দিন দিন বেড়েই চলছে; লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে পটুয়াখালীর মানুষগুলোর মতো রাঙ্গাবালী উপজেলার মানুষ পাচ্ছেন না করোনা ভাইরাস সনাক্তকরণের কোন যন্ত্র সুবিধা। এ নিয়ে দিন দিন চিন্তিত পটুয়াখালী জেলা-সহ রাঙ্গাবালী উপজেলাবাসী। পটুয়াখালী জেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ রাঙ্গাবালী উপজেলায় এটি একটি চিহ্নিত কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, এই মহামারি করোনা ভাইরাস সনাক্তকরণ। পটুয়াখালী জেলার এই উপজেলাটিতে নেই কোন সরকারি হাসপাতাল, নেই কোন উন্নত চিকিৎসার মাধ্যম, সাথে নেই কোন ভাল চিকিৎসক। তাদের চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার তাগিদে যেতে হয় জেলা শহর পটুয়াখালীতে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে পটুয়াখালীতে করোনা ভাইরাস টেস্ট ল্যাব না থাকার কারণে

তারা আরো উপজেলা চিকিৎসা-সহ জেলা চিকিৎসা থেকেও বঞ্চিত হতে শুরু করেছেন। এ নিয়ে হতাশ উপজেলাটির জনগণ। পটুয়াখালীতে করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে তাতে পিসিআর ল্যাব বসানো অত্যন্ত জরুরী হয়ে পড়েছে। পটুয়াখালী জেলার পিসিআর ল্যাব না থাকায় জেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তা ঢাকা বা বরিশাল পাঠানো হচ্ছে এতে রিপোর্ট আসতে সময় লাগে ৭-১০ দিন। এই সময়ের মধ্যে কোন ব্যক্তির সংক্রমিত কিনা তা চিহ্নিত করা অসম্ভব হচ্ছে। তাই পিসিআর ল্যাব স্থাপনের জন্য সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে পটুয়াখালী-সহ রাঙ্গাবালী উপজেলাবাসীর জোরালো দাবি দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি। এ বিষয়ে তারা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ

নজরদান দেওয়ার আহ্বান করছেন। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে আসে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের জন্য স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবকে অনুরোধ জানিয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোঃ মতিউল ইসলাম চৌধুরীর স্বাক্ষরিত একটি চিঠি। চিঠিতে বলা হয়েছে, পটুয়াখালী জেলার ৮টি উপজেলায় বর্তমানে ১৮ লাখ লোকের বসবাস। জেলায় পায়রা সমুদ্র বন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প, পায়রা (লেবুখালী) সেতু প্রকল্পে কয়েক হাজার বৈদেশিক নাগরিক অবস্থান করছে। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী জেলা বরগুনা মানুষ জনও পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালের চিকিৎসা নির্ভর। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে পটুয়াখালী জেলায় কোভিড-১৯ আক্রান্তের হার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সন্দেহ ভাজনদের নমুনা সংগ্রহ করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ ও আইইডিসিআরে পাঠানো হলে ৪ থেকে ৭ দিন সময় লাগে রিপোর্ট আসতে। জেলার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে চলমান দূর্যোগ লাঘব করতে ও দ্রুত করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করতে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের জন্য স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবকে অনুরোধ জানিয়ে এই চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে।

সংবাদটি প্রচার করুন




© All rights reserved © 2020 Daily Provat Barta
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com