সদ্য প্রাপ্ত
দে‌শের প্রতি‌টি জেলা উপ‌জেলায় সংবাদকর্মী নি‌য়োগ দেওয়া হ‌বে। আগ্রহিরা যোগা‌যোগ করুনঃ ০১৯২০৫৩৩৩৩৯
উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি। 

উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি। 

এস আর রনি, জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি।

প্রতিনিয়ত একের পর এক দূর্যোগের কবলে পড়ছে বাংলাদেশ। প্রতি বছরের ন্যায় আবারও বন্যার কবলে পড়েছে উত্তরাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলা।

তিস্তা, বহ্মপুত্র, ধরলা ও যুমনা নদীর পানি ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে একের পর এক অঞ্চল।

তিস্তার ভাঙ্গনে উলিপুর গ্রামের ব্লকটি ৬০মি. ভেঙ্গে নদীর সাথে বিলীন হয়ে বিভিন্ন যায়গায় ভেঙ্গে প্লাবিত হয়েছে এই অঞ্চল। এবং নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ২০ সে.মি. বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

কুড়িগ্রামে বহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর বেড়িবাঁধ ১০-১৫ যায়গায় ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে এ অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তার ফলে কয়েক’ হাজার হেক্টর জমি তলিয়ে গেছে। কুড়িগ্রামে বহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে ৭১সে.মি. ও নুনখাওয়া পয়েন্টে ৫০সে.মি. বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

লালমনিরহাট জেলায় চার উপজেলায় বন্যায় প্রায় ষাট হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছেন। দেখা  দিয়েছে খাদ্য সংকট, বিশুদ্ধ পানি ও বাসস্থানের অভাব। এবং গৃহ পালিত পশু নিয়ে চরম দুর্ভোগে। বাঁধ, উঁচু স্থান ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছেন।

তাছাড়া ও জামালপুরে বন্যায় যুমনা নদীর পানি বিপদসীমার ৮৬সে.মি. ও গাইবান্ধা জেলায় ৬০সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নতুন করে একের পর এক গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষ রাস্তা, বাঁধ ও উচুঁ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে তাদের শুকনা খাবার ও নগদ অর্থ সয়াহতা করা হচ্ছে।

এবং বগুড়া জেলার শারিয়াকান্দি উপজেলা সহ সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল জেলা গুলোতে যুমনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে ও নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে। শারিয়াকান্দিতে ৬৬সে.মি সিরাজগঞ্জে ৪০সে.মি. ও টাঙ্গাইলে ৩৮সে.মি. বিপদসীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যার ফলে বান ভাসি মানুষ দিশেহারা হয়ে পরেছেন। ১ লক্ষের উপর মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছেন।  এই করোনার সংকট কালে আর্থিকভাবে প্রচুর পরিমাম ক্ষয়ক্ষতির আশংকা করা হচ্ছে। হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমির চাষাবাদ নষ্ট, ঘড় বাড়ি সহ গবাদিপশু  ভেসে গেছে।

পক্ষান্তরে, পানি উন্নয়ন বোর্ড জানান যে, এই রকম পরিস্থিতি আরও ৩-৪ দিন থাকবে উভয় পানি বৃদ্ধি ও পেতে পারে। তারপর ধীরে ধীরে বন্যার পানি কিছুটা কমতে থাকবে।

অসহায় বানভাসি মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন জেলা প্রশাসক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংস্থা সমূহ।

সংবাদটি প্রচার করুন




© All rights reserved © 2020 Daily Provat Barta
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com