সদ্য প্রাপ্ত
দে‌শের প্রতি‌টি জেলা উপ‌জেলায় সংবাদকর্মী নি‌য়োগ দেওয়া হ‌বে। আগ্রহিরা যোগা‌যোগ করুনঃ ০১৯২০৫৩৩৩৩৯
একটি রাক্ষসী মাছের নাম পিরানহা

একটি রাক্ষসী মাছের নাম পিরানহা

শাহীন ইসলাম বরিশাল জেলা প্রতিনিধিঃ

একদম রূপচাঁদার মত দেখতে একটি মাছ আমাদের লোকাল মাছের বাজার সহ সারা দেশের মৎস আড়ৎতে প্রতিনিয়তই এই মাছ ক্রয়-বিক্রয় হয়।

এই মাছ প্রতি কেজি অনেক কম মূল্য এবং স্বাদ একটু বেশি থাকার কারণে আমাদের মত সাধারণ মানুষ নিকট অনেকটা গ্রহনযোগ্যতা পেয়েছে।।।

স্থানীয় মৎস ব্যবসায়ীরা এই মাছকে “সামুদ্রিক রূপচাঁদা” হিসেবেই বিক্রয় করে থাকে।

এই মাছের নাম “পিরানহা”
পৃথীবিতে ২ প্রকার পিরানহা মাছ পাওয়া যায়।
১। ব্লাক বেলি পিরানহা (কালো পেট ওয়ালা পিরানহা)
২। রেড বেলি পিরানহা( লাল পেট ওয়ালা পিরানহা)

এই মাছের প্রধান আবাস্থল দক্ষিন আমেরিকা,, ব্রাজিল সহ কয়েকটা দেশের নদীতে।

#এই মাছ একটি হিংস্র এবং রাক্ষুসে মাছ
#এই মাছ সারা বিশ্বে মানুষ খেকো মাছ হিসেবে পরিচিত।
#রক্তের গন্ধ প্রিয় একমাত্র মাছ।
#মানুষের প্রথম আঘাতের স্থান পায়ের আঙ্গুল।
#৩ ধরেণের শব্দ উৎপন্ন করার মাধ্যেমে এদের নিজস্য একটা ভাষা আছে।
# জলাশয়ের অন্যান মাছ সমূলে ধংশ করে এমন কি ব্যাঙ ও বাঁচতে পারে না।
#ক্ষুদার্থ থাকার সময় এক পিরানহা আরেক পিরানহা মাছকে খেয়ে থাকে।
#ধারালো দাঁত আর প্রায় মানুষের মত জিহব্বা থাকার কারণে সে তার লক্ষ্য বস্তুতে শরীরের ১০ গুন বেশি শক্তিতে কামড় দিতে সক্ষম।
#জরিপে ৩০ টি মাছ একটি হরিণ কে খেতে সময় নেয় মাত্র ১ ঘণ্টা।
#এই মাছের এমন কিছু বিষক্রিয়া আছে যা আমাদের পাকস্থলি বিনষ্ট করার প্রধান হাতিয়ার।
#এক বোতল এলকোহলের চাইতেও এই মাছের ৫০ গ্রাম ওজনের একটি পিস বেশি ক্ষতি কর।
#এই মাছের চর্বি আমাদের শ্বাস প্রশ্বাসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত করে।
#এই মাছে থাকা ফসফেট আমাদের মুত্র প্রদাহ সৃষ্টি করে।
#এই মাছ নব্য বিবাহিত নারীর বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টির অন্যতম কারণ।
#ইউরিন বা প্রশ্রাবের সাথে শরীর থেকে অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যালসিয়াম এবং রক্ত বের করে দেয়।
#এই মাছ ভক্ষনে মানসিক বিকার গ্রস্থ করে দেয়।।
# পায়ের পাইনোরাল কর্ডে চরম ব্যথা উৎপন্ন করে এই মাছের ক্ষতিকারক পদার্থ।
#ফুসফুসের ভিতর অভ্যন্তরিন রক্তপাত ঘটায়।

আমাদের দেশে মূলত রেড বেলি পিরানহা মাছ দেখতে পাওয়া যায়।।

কিছু অসাধু মানুষ এই মাছ আমাদের দেশে আনার পিছনে দায়ী।

এই মাছ সারা বিশ্বে, আমদানি,রপ্তানি,বাজার জাত করণ,পোনা উৎপাদন, মাছ চাষ এবং বিপণন সম্পূর্ণ নিশিদ্ধ।

বাংলাদেশ সরকার এই মাছকে ২০০৮ সালে নিশিদ্ধ ঘোষনা করেছে। এই মাছ বিক্রয়, চাষ,পোনা উৎপাদন,বিপণন সম্পর্কে কঠিন আইন আরোপ করা আছে। তবুও এই মাছ ক্রয়-বিক্রয় চলছেই। আবার আমরা অনেকেই না জেনেও এই মাছ নিয়মিত ভক্ষন করছি।

ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে,______
আমাদের ইসলাম ধর্মে হিংস্র প্রাণী ভক্ষন করা সম্পূর্ণ হারাম। অথ্যাৎ শোওর যেমন হারাম ঠিত তেমন এই মাছও। কারণ মাছটি নিজের জাত এবং মানুষ খেকো।।
তাই আমরা যেন জেনে হারাম ভক্ষন না করি।।।
আল্লাহতালা সেই সব প্রাণীকেই হারাম করেছেন যা আমাদের বডি রেইস্টেন্ডের জন্য চরম ক্ষতিকর।

দেশের মানুষের চরম শারীরিক ক্ষতিকারী এবং সকল প্রকার মৎস প্রজনন ধংশকারী একমাত্র আইন করা নিশিদ্ধ এই পিরানহা মাছের পোনা উৎপাদন, চাষ এবং বিক্রয় বন্ধে করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

নিজে সতর্ক হোক । সম্ভব হলে অন্যকে সতর্ক করুন।

সংবাদটি প্রচার করুন




© All rights reserved © 2020 Daily Provat Barta
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com