সদ্য প্রাপ্ত
দে‌শের প্রতি‌টি জেলা উপ‌জেলায় সংবাদকর্মী নি‌য়োগ দেওয়া হ‌বে। আগ্রহিরা যোগা‌যোগ করুনঃ ০১৯২০৫৩৩৩৩৯
শিরোনামঃ
সবাইকে ঈদ-উল ফিতর এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি নেতা মশিউর রহমান বিপ্লব নিউ গ্রীন সিটি হসপিটাল এন্ড ডায়গনস্টিকে “ইন্টারন্যাশনাল নার্সেস ডে “ উদযাপন। রায়পুরে সাবেক ছাত্রনেতা মনোয়ার হোসেন মাছুম এর ত্রান বিতরণ, ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত। কুষ্টিয়া মিরপুর থানা পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার খাইরুল আলম ফেনীতে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ পক্ষ থেকে রমজান উপলক্ষে ১০০ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ শ্রীপুরে ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর সরকারের গাড়ি ভাংচুর গাজীপুরে সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ শ্রীবরদী বাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মান্নান সরকার নবীনগরে ১৮০ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন কর্মহীনদের মাঝে ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভায় ভিজিএফএর অর্থ প্রদান
পর্যটক শূন্য ও অবহেলিত ঐতিহাসিক স্থাপনা কেন্দ্র গুলো

পর্যটক শূন্য ও অবহেলিত ঐতিহাসিক স্থাপনা কেন্দ্র গুলো

। 

এস আর রনি, জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি। 

উত্তরাঞ্চলের ইতিহাস লব্ধ ঐতিহাসিক স্থান গুলো এখন কোভিড-১৯ এর কারনে জনশূন্য অপরদিকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও পরিচর্যার অভাবে ধীরে ধীরে রুপ- বৈচিত্র্য বিনষ্টের মুখে । 

উত্তরাঞ্চলের উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক স্থাপনা গুলোর মধ্যে রয়েছে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, মহাস্থানগড় বিহার, রংপুর তাজহাট মহল, নাটোর উত্তরা গণভবন, পুঠিয়া রাজবাড়ী, কুসুম্বা মসজিদ, সোনা মসজিদ সহ অনেক অনেক দর্শনীয় স্থান। 

প্রতি বছর দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এই দর্শনীয় স্থানগুলোতে ঘুরতে আসে ভ্রমণ পিয়াসীরা। এতে করে প্রাণচাঞ্চল্যতা বিরাজ করে ও মুখরিত থাকে ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান গুলো।  কিন্তু, বর্তমান কোভিড-১৯ এর কারনে সাময়িক ভাবে সকল দর্শনীয় স্থানগুলো বন্ধ থাকার ফলে অবহেলিত হয়ে পড়েছে। পক্ষান্তরে, মোটা অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকারি তহবিল। 

তাছাড়াও ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থানগুলো এবং আবহমান বাংলার সবুজ প্রকৃতির অপরূপ বৈচিত্র্যের নৈসর্গিক লীলাভূমি আমাদের এ বাংলাদেশে পর্যটন শিল্পের রয়েছে অপার সম্ভাবনা।

বিশ্বব্যাংকের নতুন এক প্রতিবেদন অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়।

এবং ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ অনেকটাই পেছনে ফেলেছে ভারত ও পাকিস্তানকে। উদীয়মান অর্থনীতির দেশ হিসেবে সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৪। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী অর্থনীতিগুলোর মধ্যে ভারতের অবস্থান ৬২, পাকিস্তানের ৫২ ও শ্রীলঙ্কার ৪০।  

বাংলাদেশে। এখন প্রতিবছর ৫০ থেকে ৬০ লাখ দেশীয় পর্যটক ঘুরতে যান। পাঁচ বছর আগে এ সংখ্যা ছিল ২৫ থেকে ৩০ লাখ। 

বিদেশি পর্যটক নির্ভরতা ছাড়াও দেশীয় পর্যটকের নিরাপত্তা, যোগাযোগ সুবিধা, আকর্ষণীয় অফার এবং পর্যটন ব্যয়সীমার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষ আগ্রহ নিয়ে দেশ ঘুরে দেখতে চাইবে। তার ফলে দেখা যাবে বিশাল অর্থনৈতিক তৎপরতা সৃষ্টি হবে। 

বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল কয়েকটি পর্যটন কেন্দ্রের মধ্যে গণ্য করা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের পর্যটন শিল্প বিকাশের যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকলেও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় আমরা এই শিল্পের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সফল হতে পারিনি।

এই শিল্পের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে যা করতে হবে যেমন; দেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস-ঐতিহ্যে বিদেশী পর্যটকদের আকর্ষণ করার জন্য প্রয়োজন ব্যাপক প্রচার ও উদ্যোগ। সরকারী-বেসরকারী বিনিয়োগ ও বিদেশী বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। নৈসর্গিক সৌন্দর্য ও শুধু প্রকৃতির দানের ওপর নির্ভর করে বসে থাকলে এর সুফল পাওয়া যাবে না। পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজন পর্যটনকে বাণিজ্যিকভাবে গ্রহণ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় সুযোগ-সুবিধা দিলে পর্যটকরা অধিক হারে আকৃষ্ট হতে পারে। 

এছাড়া পর্যটনে তরুণদের আগ্রহ ইতিবাচক। দেশ ঘুরে দেখার আগ্রহ বাড়ছে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে। পড়াশোনা ও কাজের ফাঁকে এখন গ্রুপভিত্তিক তরুণ-তরুণীরা দেশের বিভিন্ন পর্যটন স্পটে ঘুরে বেড়াচ্ছে। লক্ষণীয় ব্যাপার হচ্ছে, পর্যটনে বাড়ছে নারীদের আগ্রহ। বাংলাদেশে নারীরা এখন একাই বেরিয়ে পড়ছে।

সংবাদটি প্রচার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2020 Daily Provat Barta
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com