সদ্য প্রাপ্ত
দে‌শের প্রতি‌টি জেলা উপ‌জেলায় সংবাদকর্মী নি‌য়োগ দেওয়া হ‌বে। আগ্রহিরা যোগা‌যোগ করুনঃ ০১৯২০৫৩৩৩৩৯
দুর্নীতির আরেক নাম উওরা দিয়াবাড়ি বিআরটিএ।

দুর্নীতির আরেক নাম উওরা দিয়াবাড়ি বিআরটিএ।

স্টাফ রিপোর্টারঃ-বিআরটিএ এর দুর্নীতির কথা কে না জানে ? দুর্নীতি বা ঘুষ আদান প্রদান করা হয় একটু গোপনে তবে দিয়াবাড়ি উওরা বিআরটিএ এর চিত্র পুরোটাই উল্টো। বিআরটিএ অফিস এর পাশেই রয়েছে বিভিন্ন ইনসুরেন্সের অফিস এবং ব্যক্তিগত অফিস আসলে ব্যক্তিগত অফিস কোন ব্যবসাহির নয় বা কোন প্রতিষ্ঠান এর ও নয় এই ছোট ছোট দোকান অফিস কে অনেক ২য় বিআরটি এ বলে কারন এদের কাছে গেলে অনেক জটিল কাজ না হওয়া অনেক কাজ টাকার বিনিময়ে খুব সহজে হয়ে যায়।এদের সহায়তায় রয়েছে বিভিন্ন পদে থাকা দুর্নীতি গ্রস্থরা।অনেক অভিযোগ পাওয়ার পর সরজমিনে গিয়ে পরিচয় গোপন করে অনেকের সাথে কথা বলে অনেক খুললাম খোলা দুর্নীতির তথ্য পাওয়া যায় তার উপর ভিত্তি করে চলতে থাকি এক পর্যায়ে যাই ড্রাইভিং লাইসেন্স এর শাখায় সেখানে গিয়ে গোপনে ক্যামেরা চালু করে প্রবেশ করি এবং তথ্য মিলে ও যায়।একজন দালাল চা নিয়ে আসছে আর পকেটে কিছু কাগজ সই করাতে নিয়ে আসছে আব্দুল মান্নান(মোটরযান পরিদর্শক)এর কাছে সে সেই দালালের কাজ করে দিয়ে তাকে দিয়ে অফিসের সরকারি কাগজে সিল মারাছে তাকে দিয়ে।সেটা অপরাধ কি না তা জানা থাকলে ও ধরে নিলাম এটা অপরাধ না।কিন্তু ছেলেটা দৌড় দিয়ে যখন পালিয়ে যায় অফিসারের চোখের ইসারায় তখন তো সন্দেহ হবেই।আব্দুল মান্নান(মোটরযান পরিদর্শক) প্রতিবেদক কে বার বার বসতে বলে এক পর্যায়ে প্রতিবেদক বসেও এবং মোবাইলে ভিডিও ধারন করা বন্ধ করে।সে সময় প্রতিবেদক কে আব্দুল মান্নান (মোটরযান পরিদর্শক)হুমকি সহিত বলে আপনি ও খান আমাদের ও বাঁচতে দেন।তারপরে উনি বলে বাঁশ দিলে ব্যথা দুজনেরই লাগবে অতএব দরকার কি বলেন।শেষ পর্যায়ে আব্দুল মান্নান(মোটরযান পরিদর্শক) প্রতিবেদক কে ঘুষ দিতে জোরাজোরি করে এবং নিউজ করতে নিষেধ করে।সে সময় প্রতিবেদক একা থাকায় ভয়ে তারাতাড়ি বেড়িয়ে আসে।

সংবাদটি প্রচার করুন




© All rights reserved © 2020 Daily Provat Barta
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com