সদ্য প্রাপ্ত
দে‌শের প্রতি‌টি জেলা উপ‌জেলায় সংবাদকর্মী নি‌য়োগ দেওয়া হ‌বে। আগ্রহিরা যোগা‌যোগ করুনঃ ০১৯২০৫৩৩৩৩৯
ঈশ্বরদীর পাকশী রিসোর্ট এর নিয়মিত খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

ঈশ্বরদীর পাকশী রিসোর্ট এর নিয়মিত খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

মাহাফুজ আলম :- পাবনার ঈশ্বরদীর পাকশী রিসোর্ট এর পক্ষ থেকে প্রতিদিন (২০০) দুই শতাধিক পরিবারের মাঝে প্রেরণ করা হয় খাদ্য সহযোগিতা।

এ ব্যাপারে পাকশী রিসোর্ট এর কর্ণধর জনাব আকরাম আলী খাঁন (সনজু খাঁন) এর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে জানতে চাইলে, তিনি বলেন –

“মানবতা এখনও বেঁচে আছে”

মেসেঞ্জারে ছোট্ট একটু ম্যাসেজ “কাকা পাকশীর অসহায় মানুষগুলো আপনার দিকে তাঁকিয়ে আছে”।

মেসেঞ্জারে ছোট্ট একটু ম্যাসেজ “ভাই অসহায় মানুষগুলোর মুখের দিকে তাঁকানো যাচ্ছে না”

মেসেঞ্জারে ছোট্ট একটু ম্যাসেজ ” স্যার, পাকশীর না খাওয়া মানুষদের দিকে কি একটু তাঁকানো যায়না”

ফেসবুকে পোস্ট” হতদরিদ্র মানুষ গুলো আজ সনজু খাঁনকে খুঁজছে ”

করুনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে লকডাউন শুরু হওয়ার পর পরই আমার ম্যাসেঞ্জারে এই ম্যাসেজগুলো মনকে বেশ নাড়া দেয়। দূর দেশে বসে কি করব ভেবে পাচ্ছি না। ঠিক সেই সময় আমার মামাতো ভাই ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমানের একটি পোস্ট আমাকে বেশ আকৃষ্ট করে। সেই মোতাবেক শুরু হয়ে গেল অসহায়দের মাঝে রান্না করে খাদ্য বিতরণ।

নেই কোন ফটোসেশন, নেই কোন প্রচার, নেই কোন জমায়েত। আমার ভাই আহসান আলী খান (আরজুর) নেতৃত্বে, পাকশী রিসোর্টের ম্যানেজার হান্নান সাহেবের তত্ত্বাবধানে, মাহাবুল ও রিসোর্ট স্টাফদের অক্লান্ত পরিশ্রমে, ছেলেবেলার বন্ধু রায়হানুল ইসলাম খান ছোট বাবুর পরিচালনায়, খান পরিবার ও বন্ধু বুলবুলের সহায়তায় শুরু হলো বাড়ি বাড়ি খাদ্য বিতরণ। সত্যিই মানবতা এখনও হারিয়ে যায়নি। স্মরণ করে দেয় মানুষ মানুষের জন্য।

তিনি আরো বলেন –
ধন্যবাদ দেই এইসব মানুষদের। যারা মৃত্যু ভয়কে উপেক্ষা করে অসহায় মানুষদের পাশে নিঃস্বার্থভাবে দাঁড়িয়েছে। তোমাদের কষ্টের কথা আমার এবং এই অসহায় মানুষদের সারাটা জীবন মনে থাকবে। ধন্যবাদ সবাইকে।
তাইতো বলি মানবতা এখনো বেঁচে আছে।সনজু খান বলেন আমি জনগনের মধ্যেই বেঁচে থাকতে চাই।

সংবাদটি প্রচার করুন




© All rights reserved © 2020 Daily Provat Barta
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com