সদ্য প্রাপ্ত
দে‌শের প্রতি‌টি জেলা উপ‌জেলায় সংবাদকর্মী নি‌য়োগ দেওয়া হ‌বে। আগ্রহিরা যোগা‌যোগ করুনঃ ০১৯২০৫৩৩৩৩৯
লালপুর থানার গোপালপুর পৌরসভার বিএনপির কালো অধ্যায় মেয়র নজরুল ইসলাম মোলাম

লালপুর থানার গোপালপুর পৌরসভার বিএনপির কালো অধ্যায় মেয়র নজরুল ইসলাম মোলাম

স্টাফ রিপোর্টারঃ- এলাকার সাধারণ মানুষ বিশেষ করে বিএনপির সমর্থক, কর্মীবৃন্দ বড় আশা নিয়ে পরিবর্তনের ডাক দিয়ে এই ব্যাক্তিটাকে পৌর মেয়রের আসনে বসিয়েছিল কিন্তু কিছুদিন পরেই সাধারণ মানুষদের আশা চরম হতাশায় নেমে এসে আফসোসের সুরে মনভাঙা দীর্ঘশ্বাসে পরিনত হয় !! বিশেষ করে বিএনপির ম্যান্ডেটে মেয়র হয়ে দলীয় লোকজন তথা সাধারণ মানুষের সাথে মেয়রের নেতিবাচক আচরন ব্যক্তি মোলামের ইমেজ ধ্বংসের পাশাপাশি ধানের শীষের ইমেজও পৌরএলাকার মানুষের কাছে আজ সত্যিই প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে ? পটল পরিবার কত পরিশ্রমের মাধ্যমে মোলামের (বর্তমান মেয়র) এর হারিয়ে যাওয়া নমিনেশন ফিরিয়ে এনে গোপালপুর পৌরসভাতে ধানের শীষের বীজবপন করলো প্রতিদানে মোলাম শুধু চেয়ারে বসে নিজের দারিদ্র্যতা দুর করে নতুন কোটিপতির খাতায় নিজের নাম লিখালো। পৌরসভাতে একটি কাজও না করে বিগত দিনের বকেয়া বিলের ৮০% টাকা + সামান্য কিছু কাজ শো করে ঐ কাজের পুর্নাঙ্গ বিলের টাকা দিয়ে বউয়ের এ্যাকাউন্ট পুর্ন করলো !! জনগনের সাথে কথা বলা তো দুরের কথা ছালাম পর্যন্ত নিতেও উনি কৃপণতার পরিচয় দেন ! সাংসদের সাথে ( বিগত এবং বর্তমান) তার বৈঠক চলে রাতের আঁধারে ! প্রচলিত হয়ে গেছে আপনার পুরোনো প্রেম (সবাই জানে কে সে মহিলা) হাতের কাছে পেয়ে জেগে উঠার কারনে পৌরসভার অফিসটাও নাকি অপবিত্র হয়ে গেছে ! এই চরিত্রীন, মেরুদণ্ডহীন, অদুরদর্শী মানুষটার জন্য বিএনপির ভোটারগন আজ সত্যিই কলংকিত। শুধুমাত্র মোলামের রাজনৈতিক চেজিং এবং স্বার্থপরতার কারনে পৌর বিএনপির বহু সংখ্যক জনগন মরহুম জাতীয় নেতা পটল সাহেবের বাসায় যাওয়া বাদ দিয়েছে?আজ হয়তো পটল সাহেব বেঁচে থাকলে মোলামকে দুইটা প্রশ্ন অবশ্যই করতোঃ ১.আমার পৌর বিএনপিকে তুমি আজ কোথায় নিয়ে দাঁড় করিয়েছ ? ২.দলীয় প্রতীকে নির্বাচিত হয়ে ধানের শীষের ইমেজ কে ধুলোয় মিশিয়ে দেয়ার অধিকার তুমি কোথায় পেয়েছো কারন মানুষ ধানের শীষে কে ভোট দিয়েছে মোলাম কে নয় কিন্তু পরিস্থিতি মোলাম এমন জায়গাই নিয়ে গেছে অন্তত উনি হাজার বার দলীয় প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে ভোট করলে বিএনপির জনগনই তাকে আর ভোট দিবেনা –মানে দাড়াইলো মোলামের দ্বারা দলীয় প্রতীকের পৌরতে শুধু অবমাননাই হইবে না মোলাম নিজেরও জামানত হারাবে, এতে অবাক হওয়ার কিচ্ছু নেই এটাই গোপালপুর পৌরসভার বাস্তবতা। মোলাম সাহেব ব্যাক্তিগত জীবনে যা খুশী করুক অবশ্য মোলাম ওর প্রেমিকাকে বিয়ে করিলে দলীয় আইনে, রাষ্ট্রের আইনে, কারু কিছু বলার ছিলনা। কিন্তু পৌর বিএনপির জনগন দলের ক্ষতি আর মেনে নিবেনা। কখনোই না। পরিশেষে বলব, মোলাম সাহেব পাপ বাপকেও ছাড়েনা, সাধারনের দীর্ঘশ্বাসে তুমি অনেক আগেই জনগনের মন থেকে হারিয়ে গেছ এখন বিএনপি কর্মীদের সামনে চ্যালেঞ্জ একটাই তোমার কারনে গোপালপুর পৌরতে ধুলোয় মিশে যাওয়া ধানের শীষের ইমেজকে আবার ফিরিয়ে আনা কিন্তু তুমি থাকলে তা আর কোনদিনও সম্ভব নয়, যা ধ্বংস করার ব্যাক্তিস্বার্থে তুমি করে দিয়েছ, তাই কোটি কোটি টাকার ব্যাংক ব্যালেন্স, বাড়ীতে লক্ষ লক্ষ টাকার টাইলস, ঢাকা থেকে আনা আধুনিক ডিজাইনের গেট, ইত্যাদি নিয়েই তুমি সন্তুষ্ট থাকো। দয়া করে আবারও দলীয় পদ বাগিয়ে ধানের শীষকে ব্যবহার করে বিএনপি নামক প্রতিষ্ঠানের আর ক্ষতি করার চেষ্টা করোনা। পরোক্ষভাবে পটল পরিবারও তোমার কারনে ক্ষতিগ্রস্হ হইল, তোমার মনুষ্যত্বহীন কার্যধারা বলে শেষ করা যাবেনা তাই ৯৯% গোপালপুরের বিএনপি মনা জনগন প্রবল ঘৃনা নিয়ে মুখিয়ে আছে তোমাকে সমুচিত জবাব দেয়ার জন্য কারন তুমি বিএনপির কালো অধ্যায়। সূএ,লালপুর থানা,গোপালপুর পৌরসভা বিএনপি ও সাধারণ মানুষ

সংবাদটি প্রচার করুন




© All rights reserved © 2020 Daily Provat Barta
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com