সদ্য প্রাপ্ত
দে‌শের প্রতি‌টি জেলা উপ‌জেলায় সংবাদকর্মী নি‌য়োগ দেওয়া হ‌বে। আগ্রহিরা যোগা‌যোগ করুনঃ ০১৯২০৫৩৩৩৩৯
শিরোনামঃ
ঈশ্বরগঞ্জে দুই জনের কারাদন্ড
ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ
কুমারী মেয়ের বিয়ে ভাঙ্গতে গিয়ে জুতাপেটা খেলে আলোচিত কাদির বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদ গাজীপুর জেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন “আসুন সবুজ বাংলাদেশ গড়ি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় গাছ লাগানোর এক অদম্য কর্মসূচি শুরু করেছেন ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার-সিলেট জেলার কো-অর্ডিনেটর মুমিনুল হক ফাহিম। উক্ত সামাজিক কর্মসূচির নাম দিয়েছেন “Planting Trees in 64 Districts of Bangladesh”। ডিবি (উত্তর), টাঙ্গাইল কর্তৃক ৭৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ভূঞাপুর থানা মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করল । গাজীপুর শ্রীপুরে প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তির বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে সাংবাদিক ও ছাত্রলীগ সভাপতি আটক। মাস্ক পরিধান ও সাস্থ্যবিধি পরিপালনে সেচ্ছা অঙ্গিকার অভিযান শ্রীপুরে স্ত্রীর লালসার স্বীকার হয়ে নিঃস্ব স্বামী নবীনগরে পরকীয়ার জেরে তিন সন্তানের জননী প্রবাসীর স্ত্রী উধাও
মাদক থেকেও ভয়ংকর ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম

মাদক থেকেও ভয়ংকর ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম

ইয়ামিন হোসেন পাটোয়ারী (স্টাফ রিপোর্টার)

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দেখা যায়, ফ্রি ফায়ার আর পাবজি গেমের আসর। এই ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেমে আসক্ত হয়ে পড়েছে কোমলমতি শিশু কিশোররা। ভিডিও গেমসে আসক্তদের অধিকাংশের বয়স ১০-২০ এর মধ্যে।

এখন দেশের প্রত্যেকটি শিশু-কিশোর মোবাইল ফোন কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের মতো যন্ত্রের সাথে সন্ধি করে জীবনকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। হারাচ্ছে তাদের মেধা শক্তি, চিন্তা-চেতনা এবং নিভে যাচ্ছে শিক্ষার আলো। এই ভয়ঙ্কর ক্ষতির প্রভাব পড়েছে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈরও।

আর এই মোবাইল নামক যন্ত্রটির সাথে যোগ হয়েছে ইন্টারনেট। মোবাইল এবং ইন্টারনেট মানুষের যেমন প্রয়োজন মিটাচ্ছে বিপরীতার্থে তেমনি অনেক ভয়ানক খারাপ দিকও রয়েছে।

আগের দিনে গ্রাম কিংবা শহর প্রত্যেকটি অঞ্চলেই শৈশব ও কৈশোর কেটেছে মাঠে বিভিন্ন খেলাধুলায়। বিকাল বেলায় পরিশ্রান্ত ক্লান্ত শরীর নিয়ে মাঠ থেকে বাড়ি ফেরা হয়েছে। প্রতিটি কিশোরের মাঠে গোল্লাছুট, কানামাছি, ফুটবল অথবা ক্রিকেট সহ নানান ধরনের খেলাধুলো করে ধুলোমাখা ও ঘামে ভেজানো শরীর দেখা গেছে।

কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের শিশু-কিশোররা এ ধরনের খেলা কিভাবে খেলতে হয় সেটা তো দূরের কথা এসব খেলার নামই জানে না।

শিশু-কিশোর তরুণদের মাঠে গিয়ে দেখা যায়, না সেই ধুলো ও কাদামাখা ঘামে ভেজা শরীর। বিকালে মাঠে আর দেখা যায় না শৈশবের সেই হৈচৈ ও খেলাধুলা। বাতাসে ভেসে আসা ঘামের সেই ঘ্রান ও চিরাচরিত সেই দৃশ্যটি আজকাল আর চোখে পড়ে না।

এই বয়সের ছেলে মেয়েদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে নামি দামি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে এই খেলার টাকা না পেয়ে আত্মহত্যার মতো ঘটনাও ঘটেছে। ধ্বংস হয়ে গেছে কিছু দরিদ্র পরিবার, শেষ সম্বল গরু বিক্রি করেও কিনে দিতে হয়েছে এনড্রয়েড ফোন এবং বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে ফ্রী ফায়ার গেমস খেলার জন্য টাকা।

এতে যেমন তাদের লেখাপড়া নষ্ট হচ্ছে তেমনি নষ্ট হচ্ছে তাদের নৈতিকতা ও চরিত্র। করোনাকালীন সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের কারণে এই চিত্র যেনো হয়ে উঠছে আরোও ভয়ঙ্কর।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ফ্রী ফায়ার গেম খেলতে কিনতে হয় ভার্চুয়ালি অস্ত্র আর সেই অস্ত্র কিনতে গিয়ে দুই’শ টাকা থেকে শুরু করে চার হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হয়।

ইন্টারনেটের টাকা যোগান দেয়ার জন্য অনেক শিশু কিশোরই জড়িয়ে পড়ছে অনেক ধরনের অপরাধ মূলক কাজের সাথে। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে ছোট ছোট কিশোর গ্যাং। ফ্রি ফায়ার আর পাবজি গেমসের আড়ালে আটকা পড়েছে তাদের বর্ণিল শৈশব।

এদিকে, গেমস দুটি বন্ধের জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানা। সচেতন মহলের দাবি এ ধরনের গেমস বন্ধ করা না গেলে সমাজ ও তাদের পরিবার পরতে পারে এক ভয়াবহ বিপর্যয়ে।

আলিফ হাসান নামের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, বর্তমান সময়ে আমার সন্তানকে পড়তে বসতে বললে সে বিরক্তি বোধ করে। তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে গেলেও অশোভনীয় আচরণ করে এবং সবসময়ই ফ্রি ফায়ার গেম নিয়ে ব্যস্ত থাকে।
আমি যে বিষয়টি খেয়াল করছি এই গেমসের আসক্তি মাদকাশক্ত থেকেও অধিক শক্তিশালী।

এখন অনলাইন ক্লাস এর নাম করে আমার সন্তানের মতো সকল শিশু-কিশোর এসব ইন্টারনেট ভিত্তিক গেমসে জড়িয়ে পড়ছে। ইন্টারনেটভিত্তিক সকল গেমস বন্ধ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের নিকট আবেদন জানাচ্ছি।

সংবাদটি প্রচার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2020 Daily Provat Barta
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com